” কবি রাজেশ চন্দ্র দেবনাথ”-সুবীর সরকার

0
833
কবি

” কবি রাজেশ চন্দ্র দেবনাথ”-সুবীর সরকার

রাজেশ চন্দ্র দেবনাথ। চমৎকার কবিতা লেখে রাজেশ। অনেক দূরে বাংলা কবিতার ভরকেন্দ্র থেকে সুদূর ত্রিপুরায় বসেই সে তার কাজ করছে।করে চলেছে। ২০০৭ সালে রাজেশের সঙ্গে আমার পরিচয়। তখন সে লিটিল ম্যাগ করে।স্বপ্ন নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।নিচু হয়ে আসা মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকে। সেই রাজেশ একসময় সাহস দেখালো আর স্থির করে ফেললো সে একটি দৈনিক কবিতা ও কবিতা বিষয়ক কাগজ নিয়মিতভাবে বের করবে।ভাবা যায়!কি অদম্য তেজ এই তরুণের।টাকা নেই,পাশে সেলিব্রিটি কেউ নেই।ত্রিপুরায় প্রায় সকলেই ঈর্ষা ও বিদ্রুপ করা শুরু করলো।আমি বললাম-‘বেশ।শুরু কর।’ব্যাস প্রকাশিত হয়ে গেল ‘দৈনিক বজ্রকন্ঠ’।প্রথমে অনলাইন দৈনিক হিসেবে শুরু হলেও এখন অনলাইনের পাশাপাশি মুদ্রিত আকারেও বেরোচ্ছে ‘দৈনিক বজ্রকন্ঠ’। আজ(১৮ জানুয়ারি) বেরোলো ৭২৩ তম সংখ্যাটি।আমার জানা নেই পৃথিবীর ইতিহাসে এমন আর হয়েছে কি না!আগামীতে প্রকাশনার কাজ করবার পরিকল্পনাও আছে।কেউ পাশে এসে দাঁড়ায় নি।অনেকেই কাদা ছিটিয়ে থামিয়ে দিতে চেয়েছে রাজেশকে।হুমকি জুটেছে।ব্যঙ্গ ও বিদ্রুপ জুটেছে।বাট,রাজেশ তার জেদ, শ্রম ও স্বপ্ন নিয়ে বাদামী অশ্বের পিঠে নিজের মতন ছুটে চলেছে বাংলা কবিতার খাল বিল নদী পাথার অলিগলি দিয়ে।আজ শত শত তরুণ বন্ধুরা রাজেশের পাশে।রাজেশের সঙ্গে।রাজেশ আমার ভাই।আমার আত্মীয়।আমি নিজে রাজেশের এই কাজ,এই জনযুদ্ধ থেকে উজ্জীবিত হই।শিখি।কুর্নিশ রাজেশ।কুর্নিশ তারুণ্য।কাজ করে যা শান্তভাবে।সব কালি ও কালোকে প্রখরভাবে উপেক্ষা করে। আজ আমি বলি-
নদীর জলে মিশে যাওয়া কান্নার অপর নাম
রাজেশ
কার্নিসের পাখিদের উড়িয়ে দিচ্ছি ত্রিপুরার
আকাশে
জীবনের সমস্ত গল্পে যুদ্ধের ঘ্রাণ।
আয় রাজেশ, ইস্তেহারের পাশে আমরা টুপি খুলে
রাখি

Advertisement
পূর্ববর্তী নিবন্ধ“মানুষ তাঁর ব্যবহারের সমান বড়”- পলি শাহীনা
পরবর্তী নিবন্ধআরোরা ভূত -অনুপ সরকার

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে