করোনা চিকিৎসার ঔষধ আবিস্কারের দাবি

0
1998
Korona

নাটোরকন্ঠ: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য ঔষধ আবিস্কারের দাবি জানিয়েছেন প্রাণিবিদ্যায় অনার্স ও মাস্টার্স করা পলাশ কুমার নামে নাটোরের এক যুবক। তবে সে ঔষধটি ক্লিনিক্যাল ভাবে প্রমাণের জন্য কারো সহযোগিতা পায়নি বলে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ফেসবুকের মাধ্যমে খোলা চিঠি লিখেছেন বলে যুবকটি জানিয়েছেন। তিনি তার তৈরিকৃত ওষুধটির নাম দিয়েছেন- HKMNPP- ND……। এই ঔষধটি ভেষজ ফরমুলায় তৈরী বলে জানান তিনি। ঔষধটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে পলাশ জানান, আপাতত নাটোরে যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদের যদি ঔষধটি দেওয়ার ব্যাবস্থা করা যেতো তাহলে খুব ভালো হতো। এ সম্পর্কে তার ফেসবুক ওয়ালে (Palash Kumar) তিনি লিখেছেন……..

আদাব মাননীয় প্রধানমন্রী।অামি পলাশ কুমার। অামি প্রাণিবিদ্যায় অনার্স ও মাস্টার্স করেছি এবং অামি বর্তমানে ৪১ তম বি সি এস পরীক্ষার্থী। বি সি এস পরীক্ষার জন্য অামি প্রচুর পড়াশোনা করছিলাম কিন্তু করোনা ভাইরাস অামার পড়াশোনার গতি কমিয়ে দিয়েছে। কারণ করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ব অাক্রান্ত। এই মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের সেই ভাষণ অামার হৃদয়ে জেগে উঠেছে- তিনি বলেছিলেন তোমাদের যা কিছু অাছে তাই নিয়ে প্রস্তুুত হও শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য । তখন আমাদের শত্রু ছিল পাকিস্তান। কিন্তু এখন অামাদের বড় শত্রু হল করোনা ভাইরাস। তাই অামাদের শত্রু করোনা ভাইরাসের মোকাবেলার জন্য অস্ত্র হিসেবে অামি প্রানিবিদ্যার জ্ঞান নিয়েছি ওষুধ তৈরির জন্য এবং গবেষণা করে সফল হয়েছি। অামার তৈরিকৃত ওষুধটির নাম হল HKMNPP- ND। এই ওষুধটি শ্বাসকষ্ট তথা হাঁপানির জন্য মহা কার্যকারি। এছাড়াও ওষুধটি অম্ল (গ্যাস্ট্রিক), কৃমি, বদহজম এবং ব্রংকিয়াল পেশী প্রসারণে কাজ করছে। বর্তমানে এই ওষুধটি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করবে অামার বিশ্বাস যা এখন ক্লিনিক্যাল ভাবে প্রমাণ করা প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অামি অাপনার দৃষ্টি অাকর্ষন করছি ওষুধটি ক্লিনিক্যাল ভাবে প্রমানের ব্যবস্থা করুন এবং অামার সাথে কথা বলুন। আপনার প্রতি অামার দৃষ্টি অাকর্ষণ করার কারন হল ওষুধটি ক্লিনিক্যাল ভাবে প্রমাণের জন্য কারো সহযোগিতা পায়নি। অনেকে আবার ভেষজ ওষুধ বিশ্বাস করে না। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মহামারি ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করেছিল গ্রামের হেকিম, কবিরাজ। তাদের বানানো পাচন খেয়ে মানুষ ম্যালেরিয়া মুক্ত হয়েছিল।আবার ত্রিশের দশকে যখন বাংলাদেশে ভয়াবহ কালাজ্বর দেখা দিয়েছিল তখন এলোপ্যাথিক ডাক্তারেরা এর কোনো প্রতিষেধক দিতে পারেনি। তখন ব্রহ্মচারী নামের এক বাঙালি ডাক্তার একটি ওষুধ আবিষ্কার করেন যা ব্রহ্মচারীর ইনজেকশন নামে পরিচিত হয়। ব্যাপকভাবে সরকারি উদ্যোগে এই ইনজেকশন দিয়ে বহু কালাজ্বর রোগীকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বঁাচানো সম্ভব হয়েছিল। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অাপনি ওষুধটি ক্লিনিক্যাল ভাবে প্রমাণের ব্যবস্থা করুন কারণ আমার তৈরিকৃত ভেষজ ওষুধটি হতে পারে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের একমাত্র প্রতিষেধক। মোবাইল নং..01717906307

Advertisement
পূর্ববর্তী নিবন্ধসিংড়ায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা নিয়ে বাড়ি বাড়ি পৌর মেয়র
পরবর্তী নিবন্ধবড়াইগ্রামে ৪০৯ টি পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দিলেন সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে