মরীচিকা -শাপলা জাকিয়া ভৌতিক গল্প -পর্ব-১৪

0
582
Shapla Zakia

মরীচিকা

ভৌতিক গল্প -পর্ব-১৪

শাপলা জাকিয়া : আমি রূপালী মরে গেছি সেই কবে, এদিকে মহিমও! আমার মহিম!
তবে কি ওকে পাওয়ার পথ সহজ হলো? এই ভয়ংকর একাকিত্বের জীবনে অবশেষে ওকে পেতে যাচ্ছি, সম্ভাবনাটা মনে উঁকি দিতেই আনন্দের এক চোরাস্রোত জড়িয়ে ধরলো যেন। দীপুকে বললাম,
-মহিম বেঁচে নেই তুমি নিশ্চিত ?
-ছবি থেকে কোন সিগন্যাল পাচ্ছি না। বেঁচে থাকলে নিশ্চয় পেতাম।
-মহিম যদি মরেই,যায়, তবে মরার পর আমার কাছে এলো না কেনো? ওর তো আমার কাছে ফেরার কথা। কেনো খুঁজলো না আমাকে?

দীপু বললো,
-তুমি সুইসাইড করেছো রূপালী । আটকা পড়েছো মৃত্যুর আগের আর পরের মাঝামাঝি একটা জগতে। মহিমের যদি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে থাকে তবে ও মৃত্যুর পরের জগতে চলে গেছে। ওকে তোমার জগতে পাবে না। তবে মহিমও যদি সুইসাইড করে থাকে অথবা ওর আয়ু শেষ হওয়ার আগেই কেউ ওকে খুন করে থাকে, তবেই শুধু মহিমকে অতৃপ্ত আত্মার জগতে পাওয়া যাবে।

-তুমি ছবি দেখে বলে দাও ও কিভাবে মারা গেছে?
-ছবি দেখে বলতে পারবো না। মৃত্যু যেখানে হয়েছে, সেই জায়গায় যেতে পারলে বলতে পারতাম।
-প্রকাশ নিশ্চয় জানে।
-হুম। প্রকাশকেই ধরতে হবে। তুমি এবার যেতে পারো রূপালী। আবার ডাকলে এসো।
-মহিম যদি অতৃপ্ত আত্মার জগতে থাকে, তুমি ওর খোঁজ দিতে পারবে?
-চেষ্টা করবো।

দীপুর আশ্বাস পেয়ে রূপালী চলে যেতেই আমি মেঘলা একটু একটু করে আমাকে ফিরে পেলাম। যতোক্ষণ রূপালী আমার মধ্যে থাকে, আমি সব অনুভব করি, শুনি কিন্তু কিছু করতে পারিনা। আমার ব্রেণ যেন তালাবন্ধ থাকে, শরীরকে কোন নির্দেশ দিতে পারেনা। তখন সে রূপালীর চাওয়া-পাওয়া, রাগ, ক্ষোভ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটায়। আমার মনে হতে থাকে আমি একটি দীর্ঘ স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে গেছি। যে স্বপ্নে সব অনুভব করতে পারি কিন্তু নিজের ইচ্ছামতো কিছুই করতে পারিনা।
মাথা তুলতে পারছি না, এতো দুর্বল লাগছে।

রূপালী শরীরে ভর করলে প্রেশারটা বেড়ে যায় আর ছেড়ে গেলেই নিচের দিকে নামতে থাকে। আমি পানি চাইলাম।
পানি খাওয়ার পর দীপু বললো,
-গরম দুধ খেয়ে একটা লম্বা ঘুম দেবেন চলুন। একা যেতে পারবেন, না আমি ধরবো আপনাকে?
আমি একা পারবো জানিয়ে দেয়াল ধরে ধরে চলে এলাম। রুনা ভাবীর ফ্ল্যাটে ঢুকে সোফাতেই শুয়ে পড়লাম। দুধ খাওয়ার জন্য আর জেগে থাকতে ইচ্ছা করলো না।

যখন ঘুম ভাঙ্গলো তখন প্রবালকে দেখলাম। সে আমার পাশের সোফায় বসে আছে। আমার শরীরের ওপর কেউ একটা চাদর দিয়ে দিয়েছে। নিশ্চয় রুনা ভাবি। আমাকে উঠতে দেখে রুনা ভাবি কফির কাপ এগিয়ে দিলেন। দেখলাম সবার হাতেই কফির কাপ। সোহেল ভাইও আছেন। কী কান্ড! ড্রইংরুমে সবাই বসে রয়েছে আর আমি এখানে মরার মতো ঘুমাচ্ছিলাম। ভয়ে ভয়ে প্রবালের দিকে তাকালাম। আমার ওপর বিরক্ত মনে হচ্ছে, প্রবাল তার প্রমাণও দিলো। আমাকে কোনরকম পাত্তা না দিয়ে দীপুকে বললো,
-এখন কি করতে চাইছেন?

দীপু বললো,
-প্রকাশ ঘাঘু মাল। যতই প্রেম করুক মেঘলার ইনবক্সে, গোপন কথা লিক করবে না। সরাসরি মহিমের কথা জানতে চাইলে সন্দেহ করে সরেও পড়তে পারে। ওকে রূপালীর মুখোমুখি করতে হবে। মেঘলা ভেবে সামনে আসবে প্রকাশ, কিন্তু তখন মেঘলার শরীরে থাকবে রূপালী।
প্রবাল কিছুটা অস্থিরতা নিয়ে বললো,

-কিন্তু মহিম বেঁচে নেই বলছেন, এখন রূপালী মেঘলার কাছে কি চায়? চলে গেলেই পারে।
-ও যাতে চলে যায়, তার ব্যবস্থাই তো করছি, আর কয়েকটা দিন।
-প্রকাশের ওপর রূপালীর অনেক ক্ষোভ, ও যদি প্রকাশকে খুন করে?
-সেক্ষেত্রে আমরা বিপদে পড়ে যাবো। রূপালী মেঘলার ওপর ভর করে প্রকাশককে খুন করেছে সেটা পুলিশ বিশ্বাস করবে না। এ্যারেস্ট করবে মেঘলাকে। তাই খুন খারাবি হতে দেয়া যাবে না। রূপালীকে দিয়ে প্রমিজ করিয়ে নিতে হবে।

-ও যদি প্রমিজ না রাখে?
-সেটা সামলানোর জন্য আমি তো আছিই। কিন্তু মেঘলা আপনি বলুন, আপনি প্রকাশককে ফেস করবেন তো?
আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না, একদিকে রূপালী আর মহিমের জন্য মায়া লাগছে অন্যদিকে প্রকাশের মতো একটা নোংরা লোকের মুখোমুখি হতে হবে ভাবলেই গা গুলাচ্ছে। আমি প্রবালের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-ও বলুক।

ঘরের সবগুলি চোখ এখন প্রবালের দিকে তাকিয়ে আছে। সোহেল ভাই বললেন,
-রাজি হয়ে যান ব্রাদার। এতোদূর এলেন, এখন শেষটা হতে দিন। মাঝরাস্তায় পিছিয়ে যাবেন না।
প্রবাল বললো,
-প্রকাশ আর মেঘলা একলা দেখা করবে না, আমরা সবাই থাকবো।
দীপু বললো,
-অবশ্যই আমরা সবাই থাকবো তবে লুকিয়ে থাকবো।
পরদিন প্রকাশ আর দীপুর ইনবক্স ঘনিষ্ঠতা বাড়লো। দীপুর সুড়সুড়ি দেয়া কথায় প্রকাশ তার গোপন কামনা- বাসনার ঝাঁপি খুলে বসলো। তাতে দীপুর প্রবল সমর্থনও পেলো। একটা ফাঁকা ফ্ল্যাটে দেখা করার জন্য মরীয়া হয়ে উঠলো প্রকাশ, সে লিখলো,

-“উফ! মেঘলা! তুমি অসাধারণ! জাস্ট অসাধারণ! আমার মন বলছিল, জানো? আমার মন বলছিল তুমি আমার মতো! তোমাকে একটা দারুণ জায়গায় নিয়ে যাবো, প্লিজ না করবে না। কবে ফ্রি আছো তুমি?
দীপু লিখলো,
-“বাইরে কোথাও সেফ মনে করিনা, কে কোথায় সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে বসে থাকবে। তুমি দুপুরের দিকে নিকুঞ্জকাননে চলে এসো। এসময় আমি একেবারে একা থাকি।”
প্রকাশ লিখলো,
-“লিখে লিখে কথা বলতে ভালো লাগছে না মেঘলা। তোমার গলাটা শোনার জন্য পাগল পাগল লাগছে।”
দীপু লিখলো,

-“পাগল পাগল লাগলে লাগুক, আমি তোমার পাগলামি দেখতে চাই। মঙ্গলবারে এসো। ঠিক তিনটায়।”
আমার আইডি থেকে প্রকাশের সাথে দীপুর এসব আলাপ প্রবাল দেখতে পেলে খুব রেগে যাবে। পুরো পরিকল্পনাটা বরবাদ করে দিতে পারে। ও রাগে না কিন্ত একবার রেগে গেলে সামলানো মুশকিল। তবে দীপু বুদ্ধিমত্তা দেখাচ্ছে। প্রকাশ ম্যাসেজ সিন করা মাত্রই সে মেসিজ ডিলিট করে। কোন প্রমাণ রাখে না। প্রকাশও তাই করে। এসব নিষিদ্ধ আলাপে দুই পুরুষই প্রবল সতর্কতা অবলম্বন করে চলেছে।

আমার আইডির সাথে প্রকাশের এসব আলাপচারিতা মেনে নিতে আমার সমস্যা হচ্ছিল। নিজেকে বোঝালাম, আমি একটা যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। রূপালীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর যুদ্ধ। বলা হয়, প্রেম আর যুদ্ধে সব জায়েজ।
সোমবার সারারাত ঘুমাতে পারলাম না টেনশনে। সারারাত জেগে কাটালে সকালে ঘুম আসে। মঙ্গলবার সকালে সে নিয়ম চললো না। ঘুম পালিয়েছে ভয়ে, প্রকাশ না রূপালী কাকে ভয় পেশি পাচ্ছি জানিনা। এরকম পরিস্থিতিতে কখনো পড়বো জীবনেও ভাবিনি। নিজের ভিতর ডুব দিয়ে বারবার সাহস খুঁজছি কিন্তু তেমন জুটছে না।

প্রবাল একেবারেই কোন কথা বলছে না,টেনশনে ও পুরোপুরি বোবা হয়ে যায়। রুনা ভাবি আর সোহেল ভাই এর চোখ- মুখে চাপা উত্তেজনা। আজ ছুটির দিন না হলেও এই বাড়ির দুই কর্মজীবী পুরুষ- সোহেল ভাই আর প্রবাল অফিস কামাই দিলো।
রুনা ভাবি বললেন,
– আজ আমি কিছুতেই রান্নায় মনোযোগ দিতে পারছি না। রেস্টুরেন্ট থেকে কিছু আনিয়ে নেই?
খাওয়া নিয়ে আজ কারও মাথাব্যথা আছে বলে মনে হলো না। নীরবতা সম্মতির লক্ষণ ধরে নিয়ে রুনা ভাবি খাবার অর্ডার করলেন ফোনে।
শুধু দীপু খুব চনমনে হয়ে আছে। যেন আজ কোন উৎসব। সকালে একবার সিক্স বি ফ্লাটে গিয়ে সবকিছু তার পরিকল্পনা অনুযায়ী গোছগাছ করে এসেছে। রূপালীর অশরীরী অস্তিত্বকে জানিয়ে এসেছে আজ প্রকাশ আসবে।
খেতে বসে কিছু খেতে পারলাম না। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। দীপুকে প্রশ্ন করলাম,
-আমি ফ্ল্যাটে যাওয়ার সাথে সাথেই কি রূপালী আমার মধ্যে আসবে?

-না, রূপালী আপনার মধ্যে যখন থাকে আপনার চেহারা বিশেষ করে চোখ ভয়ংকর দেখায়। এই চোখ নিয়ে গেইট খুললে প্রকাশ ভয়ে ফ্ল্যাটের ভিতরেই ঢুকবে না। আপনি একটু সাজগোজ করে ওকে ওয়েলকাম জানাবেন। যাতে ও আপনাকে দেখে আশ্বস্ত হয়ে ভিতরে আসে।
আমি তাই করলাম। কলাপাতা রংঙা একটা শাড়ি পড়লাম। সবুজ টিপ,সবুজ চুড়ি। সাজগোজ করাটাকে অত্যাচারের মতো লাগলো। পৌনে তিনটায় আমি, প্রবাল আর দীপু ঢুকলাম সিক্স বি ফ্ল্যাটে। তিনটা পাঁচে ডোরবেল বাজলো।

এক গ্লাস পানি ঢক ঢক করে খেয়ে নিলাম। মনে হচ্ছিল পানি খেলে মনের জোর বাড়বে। । কুৎসিত একজন পুরুষকে ওয়েলকাম জানাতে যাচ্ছি আমি, যে ঘরে বউ রেখে আরেকজনের বউ এর সাথে প্রেম করতে এসেছে। শাড়ির আঁচল তাই ভালো করে টেনেটুনে শরীর ঢেকে গেইট খুললাম। মনে মনে প্রার্থনা করছি, প্রকাশ আমাকে স্পর্শ করার আগেই যেন রূপালী চলে আসে।

গেইট খুললাম হাসিমুখে। শয়তানটাকে নিশ্চিন্তে ভিতরে ঢুকতে দিতে হবে। প্রকাশ দেখতে ছবির চাইতে কিছুটা বুড়োটে। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা করে হয়তো এবং পোশাক আশাকে বেশ মডার্ন বলে হঠাৎ তাকিয়ে তাকে যুবক বলে ভুল হয়। নইলে বয়স নিশ্চয় মধ্য চল্লিশ হবে।
প্রকাশ ঢুকে নিজের হাতে দরজা বন্ধ করলো। তারপর গলায় একরাশ বিস্ময় ঢেলে বললো,
-তুমি সামনাসামনি ছবির চেয়েও হট। কথা বলে আধা পাগল ছিলাম। দেখে পুরা পাগল হলাম। পাগলামি সামলাতে পারবে তো?

প্রকাশ সময় নষ্ট করতে চাইছে না। তার চোখেমুখে তাড়া স্পষ্ট। তাড়া আছে আমারো।
আমি কিছু না বলে আরেকবার হাসলাম। তারপর ওকে আমার সাথে আসার ইংগিত করে বেডরুমের দিকে রওয়ানা হলাম। আমাকে দীপু এরকমই নির্দেশ দিয়েছে। ড্রইং রুম থেকে বেডরুমের দূরত্ব অনেকটা। লম্বা প্যাসেজ,বিশাল ডাইনিং, তারপর আবার লম্বা প্যাসেজ পেরিয়ে তবে বেডরুম। এই দূরত্বটাকে আমরা কাজে লাগাচ্ছি। এই জায়গাটা অতিক্রম করার সময়ে রূপালী আমার মধ্যে প্রবেশ করবে।
তিন চার পা এগোতেই সেই পরিচিত গরম-গরম ভাব কানে মুখে আছড়ে পড়তে শুরু করলো। উত্তেজনায় অস্থির হলাম, রূপালী আসছে!

বেডরুমের ঢূকার আগে আগে রূপালী আমার শরীরটা পুরোপুরি দখলে নিয়ে নিলো। আমি এখন নিজের ভিতর প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড রাগ আর ক্ষোভ টের পাচ্ছি। বেডরুমের বিছানার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। প্রকাশ পায়ে পায়ে পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি মেঘলা এখন শুধু নীরব দর্শক। রূপালীর চিন্তাগুলি পড়তে পারছি-
প্রকাশ! তুই কল্পনাও করতে পারবি না কার পিছনে দাঁড়িয়েছিস। রূপালীর সব মনে আছে প্রকাশ, সে কিছু ভোলেনি!

কোমরে প্রকাশের হাতের স্পর্শ পাচ্ছি। এই সেই প্রকাশ, যে এই ফ্ল্যাটে একদিন জোর করে আমায় ভোগ করেছিল, মহিমেরএকটা মিথ্যা ঠিকানা দিয়ে বোকা বানিয়ে আমাকে নিঃশেষ করেছিল!
প্রকাশ আচমকা আমাকে জড়িয়ে ধরলো পিছন থেকে। তারপর জড়িয়ে ধরেই গড়িয়ে পড়লো বিছানায়। খুব আদুরে গলায় একটা অশ্লীল কথা বললো প্রকাশ।

যখন বেঁচে ছিলাম একটা চড়ুই পাখির শক্তি ছিল গায়ে। কিন্তু মরে গিয়ে আর যাই হোক গায়ে অসুরের মতো শক্তি আমার। প্রবল জোড়ে পা ছুটালাম। প্রকাশ ছিটকে পরলো মেঝেতে।
সে বোধহয় এতো হতভম্ব কখনও হয়নি। ঘরে একটা আলো জ্বলছে। আমার মুখ দেখার জন্য সেটা যথেষ্ট। প্রকাশের কাছাকাছি মুখ নামিয়ে আনতেই সে ভয় পেলো। তীব্র আতংকিত চোখে সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি বললাম,
-মহিম কোথায়?
প্রকাশ তোতলাচ্ছে,
-মহিম কে? কে মহিম?
আমি প্রকাশের তলপেট বরাবর আর একটা লাথি ছুটালাম। ব্যাথায় কুকুড়ে গেলো প্রকাশ। তার চোখে পানি এসে গেছে।

চুলের মুঠি ধরে সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিলাম। চুল না ছেড়েই জানতে চাইলাম,
-মহিম কোথায়?
-মহিমের কথা জানিনা, তুমি কে?
আমি খিলখিল করে হাসলাম,আমার খুব হাসি পাচ্ছে প্রকাশের দূরাবস্থা দেখে। মনে হচ্ছে ও একটা ইঁদুর আর আমি সিংহ। পায়ে পিষে মেরে ফেলতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু মারা যাবে না, দীপু ছেলেটার নিষেধ আছে। ও মহিমকে খুঁজে দেবে বলেছে। নইলে মহিমের খবর পাওয়ার পর ওকে মেরে ফেলতাম।
আমি হাসি থামিয়ে বললাম,
-আমি রূপালী। আমার চোখের দিকে ভালোকরে তাকা, চিনতে পারবি।

চলবে-

Advertisement
উৎসShapla Zakia
পূর্ববর্তী নিবন্ধআবেদন -কবি শাহিনা খাতুন‘এর কবিতা
পরবর্তী নিবন্ধধারাবাহিক ভাবে দরিদ্র মানুষের পাশে বড়াইগ্রাম পৌর মেয়র

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে