“মানুষ তাঁর ব্যবহারের সমান বড়”- পলি শাহীনা

0
624
পলি এনকে

“মানুষ তাঁর ব্যবহারের সমান বড়” — পলি শাহীনা

সেপ্টেম্বর মাসের নাতিশীতোষ্ণ সকাল। শীত কিংবা গরম কোনটাই বেশী অনুভূত না হলেও, আকাশ কালো করে বেশ বাতাস বইছিল। সেদিনের সকালটা ছিল বাংলাদেশের শীতকালের কুয়াশা জড়ানো সন্ধ্যার মত রহস্যময়। ঘুম ভেঙে জানালার পর্দা সরিয়ে কিছু সময় বাহিরের দুর্যোগপূর্ণ প্রকৃতির দিকে নির্বাক চেয়ে থাকি। বৃষ্টির ঘনঘটা দেখতে দেখতে আরো কিছু প্রহর ফুরিয়ে যায়। ক্লাশে যাব নাকি যাব না, এই ভেবে দ্বিধায় পড়ে যাই। এমন বিরুপ আবহাওয়ায় আমার মেয়েকে স্কুলে চলে যেতে দেখে, শেষমেশ সব অলসতা উতরিয়ে আমিও ক্লাসের পথে বেরিয়ে পড়ি। অবশ্য, এর চেয়ে খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেও আমার বাচ্চা স্কুলে চলে যেত। তার মন খারাপ হয়। সে নাকি তার শিক্ষককে খুব মিস করে বাসায় থাকলে। যাই হোক, আমি বাসা থেকে বের হবার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামে। বাসে উঠে হাঁফ ছেড়ে বাঁচি। প্রাতঃকালীন যানযট এড়িয়ে খুব ধীর গতিতে বাস গন্তব্যে এগিয়ে চলছে। বৃষ্টি মাথায় এত ঝক্কি-ঝামেলা পেরিয়ে মানুষগুলো সব হাসিমুখে যে যার কর্মস্থলে ছুটছে। নিজের মধ্যে একটু আগে ভর করা অলসতা উবে যায়, চারপাশের মানুষ জনের উষ্ণতা দেখে। মুহূর্তেই প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠে মন। আমার গন্তব্যস্থল লিমন কলেজের সামনে এসে দেখলাম, ততক্ষণে বৃষ্টি থেমে গেছে। আকাশের গুমোট বাঁধা অন্ধকার ভাবটাও আর নেই।

কলেজে ঢুকতেই চোখ পড়ে কাঠবিড়ালিদের উপরে। নিয়মের কোন ব্যত্যয় না ঘটিয়ে আজো তারা খেলছে, খুনসুটিতে মেতে আছে একে অন্যের সাথে। প্রতিদিন ক্লাসে যাবার আগে কিছু সময় আমি তাদের সাথে আনন্দে কাটাই। ওদের জন্য আলাদা করে বাদাম কিনে আনি। ব্যাকপ্যাক থেকে বাদাম বের করে ওদের খাওয়াই। কাঠবিড়ালি আমার ভীষণ প্রিয়। ওরা যেন আমার আত্মীয়। আমি ওদের ভাষা বুজি, ওরাও আমাকে বোঝে। শুধু আমার এই কলেজ ক্যাম্পাস নয়, চলার পথে যেখানেই কাঠবিড়ালি দেখি, কিছু সময়ের জন্য আমি ওদের সঙ্গ দিই কিংবা নিই। কাঠবিড়ালি, পাখীদের সঙ্গে নির্ভেজাল সময় কাটাতে গিয়ে মনে হয়, আমি যেন অন্য কোন সুখের রাজ্যে হারিয়ে যাই। আমার জন্ম, বেড়ে উঠা প্রকৃতির সান্নিধ্যে। এজন্যই হয়তো অন্য যে কোন কিছু থেকে, প্রাকৃতিক উপাদানগুলো আমাকে চুম্বকের মতন কাছে টানে।

বৃষ্টির পর সূর্যের রুপালি আলোয় চারপাশ চিকচিক করছে। শীতের আগমনী বার্তায় হলুদ হয়ে যাওয়া ঘাসগুলো কিছুটা সবুজ হয়ে উঠেছে। স্নিগ্ধ সকালের সজীবতা মেখে ক্যাম্পাস ছেড়ে আমি ক্লাসের দিকে পা বাড়াই। ভেজানো দরজা ঠেলে ক্লাস রুমে ঢুকতেই বুকের ধুকপুকানি বেড়ে যায়। অংকে আমি আজীবন কাঁচা। আজ অংক দিয়েই ক্লাস শুরু। ছোটবেলা থেকে অংকের ক্লাস শুরু হলেই, আমার মস্তিষ্কের ভেতরে হাতুড়ি পেটা বয়ে চলে। এটি আমার পুরনো রোগ। হ্যান্ডেল লিওন – আমার অংকের শিক্ষক। যদিও তাঁকে আমার শিক্ষক মনে হয় না, মনে হয় এক দক্ষ যাদুকর। যাঁর দক্ষতায় যে কোন কঠিন সূত্রের অংক সহজেই বুঝতে পারি। যাঁর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে রুপকথার গল্পের সোনার কাঠি-রুপার কাঠির ছোঁয়ার মত, অংক ক্লাসে আমার মত দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের মনের সকল অসাড়তা দূর হয়ে যায়। ক্লাস শুরুর প্রথম দিকে অংক বিষয়ে আমার যে ভয় ছিল, শেষের দিকে সে ভয় কেটে যায় স্যারের সুন্দর আচরণে। উনি খুব সুন্দর করে ধীরে সুস্থে ক্লাসে পড়ান। ব্লাকবোর্ডে ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝান। একবার না বুঝলে বারবার বোঝান। তাঁর বন্ধুসুলভ ব্যবহারের কারণে আমার মত অংকে দূর্বল ছাত্রীও, ক্লাস ভর্তি ছাত্রছাত্রীদের সামনে ব্লাকবোর্ডে গিয়ে, অংক করতে পেরেছি সাহসের সঙ্গে। ক্লাস শেষে কেন জানি সব ভুলে যেতাম। একদিন ক্লাস শেষে স্যারের কাছে গিয়ে নিজের দূর্বলতার কথা খুলে বলি। স্যার আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, ‘কোন সমস্যা নেই। আমি তোমাকে সাহায্য করবো। ক্লাস শেষে বাড়তি সময় দেব যদি তুমি চাও। বাসায় গিয়ে কোন কিছু না বুঝলে আমাকে ইমেইল করবে। যত দ্রুত সম্ভব আমি উত্তর দেব।’ স্যারের ব্যবহারে সব জড়তা কেটে আমি আশ্বস্ত হই।

ক্লাস শুরুর প্রথম দিনের কথা। স্যারের নম্র ব্যবহারের প্রেমে পড়ে যাই প্রথম দিন-ই। একজন শিক্ষক এত ধৈর্যশীল, নম্র, বিনয়ী, হাস্যজ্বল হতে পারেন, যা আমার কল্পনায় ছিল না। কয়েক বছর বিরতি দিয়ে পুনরায় যখন পড়াশোনায় ফিরে যাই, তখন ভেতরে প্রচন্ড ভয় কাজ করছিল। তার উপর পৃথিবীর নানান প্রান্ত থেকে আসা অচেনা ছাত্র-ছাত্রীদের ভীড়ে অনেকটা অসহায় লাগছিল। বিদেশী ভাষা, সংস্কৃতি, পোশাক পরিচ্ছদের ভীড়ে আমার মধ্যে তখন পালাই পালাই অবস্থা বিরাজ করছিল। শুধু মনে হতো সবাই আমার থেকে অনেক বেশী এগিয়ে আছে। সবাই অনেক বেশী জানে, বোঝে। নিজেকে তুচ্ছ মনে হতো। নিজের ক্ষুদ্রতার কথা ভেবে ভেবে শামুকের মত গুটিয়ে থাকতাম।

আমার সমস্ত ভয়, ভাবনা, দুঃশ্চিন্তা কেটে যায় শিক্ষক এবং পৃথিবীর নানান প্রান্ত থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের উষ্ণ হৃদ্যতায়। তাঁদের সাহচর্যে আমি পড়াশোনার জন্য অনুকূল পরিবেশ খুঁজে পাই। তাঁদের অমায়িক ব্যবহারে, সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। ক্লাস চলার সময় বই এর কোন পৃষ্ঠা খুঁজে পেতে দেরি হলে পাশের জন কেমন করে মুখ দেখে বুঝে ফেলতো। পরে নিজ হাতে সঠিক পৃষ্ঠা বের করে দিত। ক্লাসে ক্যালকুলেটর নিতে ভুলে গেলে, স্যার তাঁর ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দিত। ক্যালকুলেটরের কোন ফাংশন বুঝতে না পারলে, স্যার সময় নিয়ে হাসিমুখে একবারের জায়গায় বারবার দেখিয়ে দিত। ব্লাকবোর্ডের কোন লেখা বুঝতে কষ্ট হলে পাশের জন স্বেচ্ছায় উঠে এসে বুঝিয়ে দিত। একবার না বুঝলে বারবার পুনরাবৃত্তি করতো।

মনে আছে, হ্যান্ডেল লিওন ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে হাতজোড় করে বলতেন, ‘তোমরা কোন সমস্যা না বুঝলে আমাকে জিজ্ঞেস করবে। আমি বারবার তোমাদের বোঝাবো। ‘ বাসায় গিয়ে পড়তে অনুরোধ করতেন। বাসায় পড়ার সময় কিছু না বুঝলে ইমেইল, টেক্সট করতে বলতেন। একজন শিক্ষকের এমন ব্যবহার আমার কাছে স্বপ্নের মত লাগতো। তাঁর ব্যবহারে আমি যারপরনাই মুগ্ধ হয়ে পড়ি। আমার সহপাঠী এবং শিক্ষকদের আচরণে কোনদিন বিরক্তির লেশমাত্র দেখি নি। তাঁরা একজন আরেক জনকে সাহায্য করার জন্য মুখিয়ে থাকতো। তাঁদের কোমল ব্যবহারে যে কোন দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পড়াশোনার পথটিকে মসৃণ মনে হবে। যেমনটি হয়েছিল আমার ক্ষেত্রে। মাঝে মধ্যে ব্যস্ততার যাঁতা কলে পিষ্ট হয়ে পড়াশোনা থেকে মন বিগড়ে যেতে চাইলেও, শিক্ষক ও সহপাঠীদের অনুপ্রেরণায় আবার ফিরে গেছি ক্লাসে। মস্তিষ্কের ভেতরের আজীবনের অংক ভীতি দূর করতে সাহায্য করেছিলেন হ্যান্ডেল লিওন। তাঁর ব্যবহার আমার পড়াশোনার ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে অমূল্য অবদান রেখেছে। যা কোনদিন ভুলবো না। তাঁর প্রতিটি কথা ছিল দরদ মাখা। তাঁকে কখনো রেগে যেতে দেখি নি। কাউকে তিরস্কার করতে শুনি নি। তাঁর মুখে সদা হাসি লেগে থাকতো। যে হাসিতে দূর হয়ে যেত মনের যত সীমাবদ্ধতা। তাঁর কাছে সবাই সমান ছিল ক্লাসে। কেউ দূর্বল বা সবল নয়। তাঁর মনোমুগ্ধকর ব্যবহারের জন্য তিনি আমার স্মৃতিপটে শ্রদ্ধার সঙ্গে বড় মানুষ হয়ে থাকবেন আজীবন।

অনেক অনেক বছর পেরিয়ে আজো চোখ বন্ধ করলে মনের দেয়ালে ভেসে উঠে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা। যে দিনগুলোতে স্কুলে না যাওয়ার জন্য রোজ কত ফন্দি ফিকির আঁটতাম। মায়ের কাছে কত বায়না ধরতাম। শীতল শরীরে আম্মার গা ঘেঁষে বলতাম, ‘দেখেন তো আম্মা গা কেমন গরম গরম লাগতেছে। মনে হয় জ্বর আইছে।’ আম্মা কপালে হাত রেখে চোখ বড় করে বলতেন, ‘জ্বর -টর কিচ্ছু নাই। তাড়াতাড়ি স্কুলে যা।’

পড়ায় সামান্য ভুল হলে, হাতের লেখা আঁকাবাঁকা হলে, স্কুল ড্রেস না পরলে, জুতার রঙ এদিক-ওদিক হলে, ক্লাসে পড়া না বুঝলে – এক কথায় কোথাও নুন থেকে চুন খসলে, স্যারদের বেতের প্রচন্ড প্রহার তো ছিলই, সঙ্গে ছিল তিরস্কার। দেশে সবার সামনে স্যাররা তাঁদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তীক্ষ্ণ ভাষায় অপমান করতো। এমন কি ছাত্র-ছাত্রীদের পারিবারিক কোন বিষয় স্যারদের জানা থাকলে, তা নিয়েও ব্যাঙ্গ -বিদ্রুপ করতো। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে যতভাবে লজ্জা দেওয়া যায়, মানসিক অত্যাচার করা যায়, হেয় প্রতিপন্ন করা যায় সবটাই তাঁরা করতো। ব্যতিক্রম হয়তো ছিল, দূর্ভাগ্যবশত আমার শৈশবে তেমন শিক্ষকের দেখা পাই নি। আমার জানামতে স্যারদের অমানবিক শাস্তি, নির্যাতনের ভয়ে অনেক ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়েছে। এদিক হতে আমি ভাগ্যবান। আমার বাবা শিক্ষক ছিলেন। আমি এবং আমার ভাই-বোনদের প্রতি বাবার একমাত্র মন্ত্র ছিল – পড়া, পড়া এবং পড়া। পরিবেশ যেমনি হোক, পড়াশোনার বিকল্প অন্য কোন পথ আমাদের জন্য খোলা ছিল না। বাধ্য হয়েই আমাকে পড়াশোনা করতে হয়েছে। নয়তো আমিও পড়াশোনা বাদ দিয়ে আজ কোথায় থাকতাম, জানিনা!

নিতু, আমার বান্ধবী। ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিল ও। একদিন ইসলাম শিক্ষার স্যার অনুপস্থিত থাকায় হঠাৎ করে ক্লাস নিতে এসেছেন আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুনীল স্যার। ক্লাসের নিয়মানুসারে স্যার আসার আগে নিতু হোমওয়ার্ক স্যারের টেবিলে নিয়ে রেখেছে। স্যার তাঁর টেবিলের উপরে ইসলাম শিক্ষার হোমওয়ার্ক দেখে, সব কাগজ ছুঁড়ে নিচে ফেলে দেয়। স্যার চিতকার দিয়ে বললেন, এসব কি? ক্লাসের সবাই ভয়ে থরথর করে কাঁপতে থাকে। নিতু মাথা নিচু করে ফ্লোর থেকে সবগুলো কাগজ তুলে সবার হাতে পৌঁছে দিল বিনাবাক্যে। আরেক দিন ইসলাম শিক্ষার ক্লাসে সুনীল স্যারকে আসতে দেখে, নিতু তাড়াতাড়ি স্যারের টেবিল থেকে হোমওয়ার্কের কাগজগুলো তুলে এনে নিজের কাছে রেখে দেয়। সুনীল স্যার ক্লাসে ঢুকে হাঁক দিয়ে বললেন, হোমওয়ার্ক কই? নিতু মাথা নিচু করে নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকে। সেদিন স্যার নিতুকে হোমওয়ার্ক তাঁর টেবিলে না রাখার জন্য এমনভাবে মেরেছিলেন, যে দৃশ্য আমি আজো ভুলতে পারি নি। এটি আমার দেশে স্কুল জীবনের একটি ঘটনা মাত্র। স্যারদের এমন অসংখ্য সম্পূর্ণ অন্যায় মূলক শাস্তির স্বীকার হয়েছিলাম আমি এবং আমরা।

নিউইয়র্কে এসে পড়াশোনা করতে গিয়ে দেখেছি, স্যাররা কখনো ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অপমান করে কথা বলেন না। পড়াশোনা, পোশাক নিয়ে দুর্ব্যবহার করেন না। স্যারদের মিষ্টি ব্যবহারের জন্য দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীরাও পড়াশোনায় মনোযোগী হয় তাদের সব ক্ষুদ্রতা ভুলে। পরীক্ষার খাঁতায় কোন ভুলের জন্য নম্বর কেটেছেন? স্যাররা তার ব্যাখ্যা পর্যন্ত দেন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। ছাত্র-ছাত্রীদের দূর্বল দিক ঢেকে গোপনীয়তা রক্ষা করেন শিক্ষকেরা। শিক্ষকদের মধ্যে দৃঢ প্রত্যয় ও দায়িত্ব দেখেছি দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য।

দেশে থাকাকালীন শিক্ষকদের খুব ভয় পেতাম তাঁদের রুঢ ব্যবহারের জন্য। শিক্ষকদের ভয় পেতে হয় তাই ভয় পেতাম, অথচ শ্রদ্ধা করতাম না। তাঁদের মন্দ ব্যবহারের জন্য তাঁরা আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র কিংবা বড় মানুষ হয়ে উঠতে পারেন নি। তাঁদের কথা মনে হলে এখনো ভয় পাই। অন্যদিকে নিউইয়র্ক শহরে এসে পড়তে গিয়ে, শিক্ষকদের ভালো ব্যবহারের জন্য তাঁরা আমার/ আমাদের মনে বড় মানুষের আসনে জায়গা করে নিয়েছেন।
ব্যবহার এক ভয়ংকর অস্ত্র। মুখ নিঃসৃত ব্যবহার একবার কাউকে আঘাত করলে, সে ক্ষত পূরণ আর কখনো হয় না। ব্যবহার এমন এক জিনিস যা মানুষকে যেমন কাছে টানে, আবার দূরেও সরিয়ে দেয়। যাঁর ব্যবহার যত ভালো সে তত বড়। মানুষ তাঁর ব্যবহারের সমান বড়।

Advertisement
পূর্ববর্তী নিবন্ধ“মোহের অপেরা”- সুবর্ণা গোস্বামী
পরবর্তী নিবন্ধ” কবি রাজেশ চন্দ্র দেবনাথ”-সুবীর সরকার

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে