মরীচিকা -শাপলা জাকিয়া‘র ভৌতিক গল্প -পর্ব-১৩

0
639
Shapla Zakia

মরীচিকা

ভৌতিক গল্প পর্ব-১৩

শাপলা জাকিয়া : জীবনে এতো পুরুষের প্রেম পেয়েও আমি কেন মহিমে মজলাম? কি আছে ওর মধ্যে? কেনো মৃত্যুর পরও ওকে খুঁজে চলেছি? এর উত্তর এক-দুই কথায় দেয়া সম্ভব নয়। ওর মধ্যে ছিল আমার চাওয়াগুলিকে পেয়ে যাওয়ার এক আলাউদ্দিনের প্রদীপ। আমি জীবনে শুধু প্রেম চেয়েছিলাম, উজাড় করা প্রেম।

খুব ভালো সন্তান হতে চাইনি, হতে চাইনি ঘোর সংসারী বৌ, ত্যাগী মা হওয়াটাও কঠিন মনে হয়েছিল, ভালো রেজাল্ট সত্ত্বেও মাস ফুরালে মোটা মাইনের চাকরি আমায় টানেনি। আমি শুধু সম্রাজ্ঞী হতে চেয়েছিলাম একটি পুরুষ হৃদয়ের। যার ভালোবাসায় কোনদিন ভাটা আসবে না, যাকে ভালোবেসে আমি ক্লান্ত হবো না। কতোদিন ছাদে বসে, পূর্ণিমার রাতে আমি মহিমকে একটা কবিতাই বারবার আবৃত্তি করে শুনিয়েছি। কবিতাটা শ্রীজাতের- আমার একটা ‘ তুই’ চাই।

“একটা সত্যিকারের ‘তুই’ চাই।
যে জানবে আমার পুরো ভিতরটা…
জানবে আমার লুকানো সব দোষ…
আমার বদমাইশি, আমার নোংরামি…
আমার কলঙ্ক…
যে নিজে থেকে আমার ভুলগুলোর
অংশীদার হবে…
আমার পাপগুলোকে অর্ধেক
করে লিখে নেবে নিজের খাতার
প্রথম পাতায়…
আমি এমন একটি ‘তুই’ চাই…
যাকে আমি নির্দ্বিধায় উপহার দেব
আমার সব অনিয়ম…
আমার অপারগতা… আমার বদভ্যাস…
আমার উশৃঙ্খলতা…
আমি পিঠ চাপড়ে তার
কাঁধে তুলে দেব আমার
অসহায়ত্বের ঝুলি…
আমার একাকীত্ব, আমার
নিঃসঙ্গতার কষ্ট, আমার
দুশ্চিন্তা, আমার হতাশা…
সবগুলো ঝাড়ুদারের
মতো কুড়িয়ে নিয়ে সে বাধবে মস্ত
বড় এক বস্তা…
তারপর কুলির মতো মাথায়
করে বয়ে নিয়ে যাবে সেইসব
অভিশাপ…
আর হাসতে হাসতে বলবে–
“ভীষণ ভারী রে… কি করে এতদিন
বইলি এই বোঝা??”
তারপর
ঠিকানা ছাড়া পথে হাটতে থাকবে অসীম
সমুদ্র পর্যন্ত…
সাগর পাড়ে এসে প্রচন্ড
শক্তিতে ছুড়ে ফেলে দেবে সেই
বোঝা…
ঠিক সাগরের
মাঝখানে হারিয়ে যাবে আমার সব
অভিশাপের ঝুলি…।
আমি ঠিক এরকম একটা ‘তুই’ চাই…
যে কোনদিন “তুমি” বা “আপনি”গুলোর
মাঝে হারিয়ে যাবে না…….”

এই চাওয়াগুলি আমার পার্থর কাছেও ছিল কিন্তু পার্থ আমার ‘ তুই’ হওয়ার চেষ্টা করেনি। করেছিল মহিম এবং পেরেছিলো। মহিম খুব ভালোবাসতে জানে। প্রেম-ভালোবাসাকে ও কখনো নিয়ম দিয়ে বাঁধেনি। ওর জীবনের মূলমন্ত্র হলো প্রেম। ও বলতো আমরা পৃথিবীতে জন্মেছি শুধু ভালোবাসার জন্য। মানুষকে ভালোবাসবে, মানবতাকে ভালোবাসবে। শিল্প আর সুরকে সঙ্গী করে পথ চলবে। তবেই অনুভব করতে পারবে বেঁচে থাকার সৌন্দর্য।

মহিম বলতো, যে সম্পর্কে ভালোবাসা মরে যায়, সেখানে আর কোন অধিকার থাকে না। তোমার ওপর পার্থর তাই কোন অধিকার নেই। যেদিন ও তোমার গায়ে হাত তুলেছে, সেদিনই সব চুকেবুকে গেছে, সে যতোই তোমাদের কাগজে কলমে সম্পর্ক টিকে থাকুক !

কিন্তু পার্থ এভাবে ভাবেনি। আমি পালিয়ে আসায় সে থানা, পুলিশ শুরু করলো। ভাড়াটে গুন্ডা লাগালো আমি কার সাথে পালিয়েছি সেটা জেনে শায়েস্তা করার জন্য।

আমাদের এসব তথ্য এনে দিতো প্রকাশ। ও একইসাথে মহিমের যেমন বন্ধু ছিল, পার্থরও ছিল। প্রকাশের পরামর্শেই আমরা কিছুদিন গৃহবন্দী হয়ে থাকলাম ঢাকার এই ফ্ল্যাটে।

মহিম আমার চাইতে বয়সে সাত বছরের বড়, অবিবাহিত। সে বিয়ে প্রথায় বিশ্বাসী নয়, এদিকে পার্থর সাথে আমার ডির্ভোসটাও হয়নি, তাই আমরা বিয়েটা করতে পারিনি। তাছাড়া একটা কবুল বা একটা সিগনেচারের চেয়ে আমাদের মনের সম্মতিটাই অনেক বড় ছিল বলে আমরা দুজনেই মনে করতাম।

প্রকাশ আমার সাথে প্রেম করার চেষ্টায় ছিল শুরু থেকেই। মহিমকে তথ্যটা জানাতে ও বলেছিল,
-তুমি চাইলে প্রকাশের সাথে সময় কাটাতে পারো, আমি কিছু মনে করবো না।
আমি রেগে গিয়ে বলেছিলাম,
-তুমি আমাকে এতো সস্তা ভাবো?
-একদম না, তোমাকে এতোটাই দামি ভাবি যে, তুমি যাই করো না কেনো, দিনশেষে তোমার সবকিছু মেনে নিতে আমার একটুও আপত্তি নেই। আমি হচ্ছি তোমার সেই ‘তুই’ যাকে তুমি খুঁজেছো সারাজীবন।
আমি ভয় পেয়ে বলেছিলাম,
– তবে কি তুমিও এমন স্বাধীনতা চাও?
মহিম হেসে বলেছিল,
-আমার স্বাধীনতা চাই না, রূপালী চাই।

এদিকে প্রকাশ দিনদিন আগ্রাসী হয়ে উঠতে শুরু করলো। প্রকাশকে কঠিন অপমান করতে পারতাম না এই ভয়ে যে, যদি সে পার্থকে আমাদের খবর জানিয়ে দেয়। পার্থ কলেজ লাইফ থেকেই ডাকাবুকো ছেলে, আমায় বা মহিমকে খুন করতে ওর বাঁধবে না।

কিছুদিন নিকুঞ্জকাননে থাকার পর মহিম আবার তার ব্যবসা বাণিজ্যে মনোযোগী হলো। প্রায়ই এখানে ওখানে যেতো পাঁচ – সাতদিন পর ফিরতো। আমি ওকে বলতাম আমাকে একা রেখে যেও না, প্রকাশ খুব বিরক্ত করে। মহিম সবসময়ের জন্য একটা বুয়ার ব্যবস্থা করে বললো,
-বুয়া থাকবে সবসময়, প্রকাশ সাহস পাবেনা। আর প্রকাশের কি দোষ বলো, তোমার মতো সুন্দরী মেয়ে আশেপাশে থাকলে সাধু সন্ন্যাসীর মতিভ্রম হবে আর ভ্রমে থাকা মানুষ সঠিক পথে চলে আসবে।
প্রকাশ মহিমের উদার স্বভাবের সাথে পরিচিত, ও জানতো মহিম সবাইকে ক্ষমা করে দেয়। তাই নিজেকে সংশোধন করার কোন চেষ্টা ও করতো না।

এইসব জটিলতার মধ্যেও খুব ভালো থাকতাম কারণ মহিম আমাকে ভালোবাসায় ডুবিয়ে রাখতো।একদিন বললো,
-ভেবো না, আমরা কিছুদিনের মধ্যেই দেশ থেকে চলে যাবো। তোমার পাসপোর্ট করতে দিয়েছি।
এরকমই পরিকল্পনায় দিন কাটছিল তারপর এক রাতে মহিম চলে গেলো। যেমন যায় ব্যবসার কাজে। তখনও জানতাম না বেঁচে থাকতে আর দেখা হবে না। দুই দিনের জন্য চট্টগ্রাম গিয়ে পনেরো দিন হয়ে গেলো মহিম ফিরলো না। সীতাকুণ্ডে ওর মা থাকেন, তাই ভাবলাম মায়ের সাথে হয়তো কিছুদিন কাটিয়ে আসতে চায়।

ফোন করতাম মহিমকে রিসিভ করতো না, তবে ম্যাসেজ পাঠাতো নিয়মিত। সেগুলি পড়ে প্রথমদিকে আমি ঠান্ডাই থাকতাম। এফ বি আইডিতেও ওকে এ্যাক্টিভ দেখতাম। সেখানেও কথা হতো। কিন্তু যখন অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও দুইমাস পার করে দিলো, এলো না তখন খুব জিদ করে বললাম, না এলে গলায় দড়ি দেবো।
ও লিখে জানালো ফিরে আসবে, কিন্তু এবারও এলো না। একসময় মেসেজের জবাব দেয়া বন্ধ করে দিলো। কল করলে কেটে দেয়।

আমি যখন রাগে, দুঃখে মরে যাচ্ছি তখন প্রকাশ একদিন সুযোগ বুঝে খালি ফ্ল্যাটে তার শখ মিটিয়ে গেলো। নিজেকে তুচ্ছ, পোকামাকড় মনে হচ্ছিল। সব জানিয়ে মহিমকে ম্যাসেজ করলাম, মহিম সিন করলো কিন্তু কোন উত্তর দিলো না।

ভর- ভরন্ত এক নদী চোখের নিমিষেই যেন শুকিয়ে গেলো, যেদিকে চোখ যায় শুধু ধুঁধুঁ বালুচর। এক অসীম শূন্যতাবোধ আমাকে পাগল করে তুলছিল। কেন যেন মহিমকে প্রতারক ভাবতে পারছিলাম না, মন বলছিল, কোথাও এখনও আশা আছে।

সেই আশায় এতোকিছুর পরও প্রকাশের কাছে মহিমের ঠিকানা চাইলাম। প্রকাশ আমাকে ভোগের বিনিময়ে ঠিকানা দেবে বললো, মেনে নিলাম। একটা ঠিকানা হাতে ধরিয়ে দিয়ে প্রকাশ যা খুশি তাই করলো।
পার্থের ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতাম না। ঠিকানা হাতে পেয়ে এবার বের হলাম। কিন্তু চট্টগ্রামের সেই ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পেলাম না। প্রচন্ড রাগ নিয়ে ফিরে এলাম নিকুঞ্জকাননের এই ফ্ল্যাটে। প্রকাশের মুখোমুখি হলাম।
কিন্তু প্রকাশ আমার রণচণ্ডী মূর্তিকে পাত্তাই দিলো না।

উল্টে হুমকী দিলো পুলিশে ধরিয়ে দেবে। পার্থ আমার নামে বিশাল অংকের টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার কেস করেছে। কেসের কাগজ এনেও দেখালো।
নিজের এই পরাজয় আমি আর মেনে নিতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল সব ছেড়েছুড়ে কোথাও পালিয়ে যাই! পালিয়ে যাওয়ার ধাত আমার স্বভাবে। একবার পার্থের হাত ধরে আরেকবার মহিমের হাত ধরে বের হয়ে এসেছি শুধু প্রেমের লোভে। আর তখন পালাতে ইচ্ছা করছিল প্রেম না পাওয়ার হাহাকারে।

প্রেমহীন জীবনে বেঁচে থাকা মরে যাওয়ার সামিল, তারচেয়ে সত্যি সত্যি মরে যাওয়াই ভালো। মহিমের পর আর কোন পুরুষকে কোনদিন ভালোবাসতে পারবো না বলে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম। কারণ এতো কিছুর পরও আমি মহিমকে প্রতারক ভাবতে পারছিলাম না। ভালোবাসার নদীটা কোন চোরাপথে যেন বয়েই চলেছিল। মহিম যতো অবহেলা করছিল আমি যেন ততোই নতুন করে ওর প্রেমে পড়ছিলাম।

আসলে কি জানো, এই পৃথিবীতে আমরা অন্যের মধ্যে নিজেকে খুঁজে বেড়াই। আরেকটা আমিকে পাওয়ার জন্য, ভালোবাসার জন্য ব্যাকুল থাকি আজীবন। কেউ কেউ সেই আমিটার দেখা না পেয়েই মরে যায়। আর যারা দেখা পায় তারা মরে গিয়েও ভুলতে পারেনা। প্রতারিত হয়েও ভালোবাসা থামাতে পারে না। মহিম হচ্ছে আমার সেই ‘ আমি’.

তীব্র অভিমান, জিদ আর হাহাকার থেকে একদিন আমি সত্যি সত্যি গলায় দড়ি দিয়ে জীবন থেকে পালালাম। যদিও জানতাম না মৃত্যুর সাথেই কষ্টগুলি শেষ হবে কিনা। তবু ঝুঁকি নিয়েছিলাম। আশা করেছিলাম, মৃত্যুর সাথে সব কষ্ট শেষ হবে। হয়তো আমার লাশটা দেখার জন্য মহিম ফিরবে। ওকে ফিরতেই হবে।

কিন্তু ভয়াবহ মৃত্যু যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পরও আমি শান্তি পেলাম না। মারা যাওয়ার পর দেখলাম, আমি এই সিক্স বি ফ্ল্যাটেই আছি। বরং আমার শরীর বলতে কিছু নেই, আমি বাতাসের মতো। তারচেয়েও ভয়াবহ, আমি এই ফ্ল্যাটের বাইরে যেতে পারি না। অতীতের সব স্মৃতি মনে আছে, মহিমের জন্য আমার আকুলতা একই আছে।
কী ভয়াবহ সেই অনুভূতি, আক্ষেপ, লিখে বোঝাতে পারবো না।

পৃথিবীর কোন শব্দে তার বর্ণনা দেয়া যায়, আমি জানিনা। এক অসীম কালো গহ্বরে যেন আটকা পড়ে গেলাম।
বেঁচে থাকতে আশেপাশের কারও সাথে মিশতাম না, তাই কেউ আমার খোঁজ নিতে এলো না। ফেসবুকের ফ্রেন্ডরা জানতেও পারলো না মারা গেছি। কাজের বুয়াটাকে প্রকাশ নিজের সুবিধার জন্য অনেক আগেই বিদায় করেছিল।

পুরো একদিন আমার শরীরটা জিভ বের করে ফ্যানের সাথে ঝুলে রইল। পরদিন দুপুরে প্রকাশ এলো। চাবি দিয়ে গেট খুলে ও ভিতরে যখন ঢুকল, আমি দরজার সামনেই দাঁড়িয়েছিলাম, কিন্তু প্রকাশ আমাকে দেখতে পেলো না। বেডরুমে গিয়ে দেখলো আমার ঝুলন্ত লাশ! দেখে দৌঁড়ে পালালো।

কিন্তু ফিরে এলো আবার কিছুক্ষণ পর। সাথে করে ইলেক্ট্রিক করাত আর বিরাট পলিথিন নিয়ে এসেছে। আমাকে পলিথিনের ওপর ফেলে কেটে টুকরো টুকরো করে বাক্সে ভরলো।
আমার শরীরের টুকরা অংশে বাক্সটা ভরে গেলো। পলিথিন, রক্ত মাখা করাত আর বাক্সে জায়গা হলো না। প্রকাশ পলিথিন আর করাতটা তাড়াহুড়ায় কি মনে করে বেডরুমের স্টোরে তুলে রাখলো। খেয়াল করলো না পলিথিনের সাথে আমার কবজিসহ আঙুল স্টোরে রয়ে গেলো।

তারপর দুই বছর প্রকাশ এই ফ্ল্যাটে আসেনি। একদিন লক্ষ্য করলাম সে কিছু লোকজন নিয়ে এলো। পুরো বাড়ি পরিষ্কার করে রং করা হলো। আর একদিন মেঘলা এলো তার স্বামীকে নিয়ে বাড়িটা দেখতে। তারপর একদিন মালপত্র সমেত এই বাড়িতে এসে উঠলো। আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, মেঘলা আমার অস্তিত্ব টের পায়। আমি আশপাশ দিয়ে গেলে অথবা ওকে উঁকি দিয়ে দেখলে চমকে তাকায়।
আমি ওর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলাম। এর পরের ঘটনা মেঘলা তোমাকে বলেছে।”
….
এতোক্ষণ টানা লিখে সেলফোনটা দীপুকে দিলাম। আমার লিখতে যতোক্ষণ সময় লেগেছিলো, তার দশ ভাগের এক ভাগ সময়ে দীপু পুরোটা পড়ে শেষ করলো। তারপর বললো,
-রূপালী, মহিম যখন চট্টগ্রামে চলে গেলো, তখন ভিডিও কলে কখনও কথা বলেছিল?
-না।
-তুমি তো ছবি আঁকতে পারো। মহিমের একটা স্কেচ এঁকে দাও কাগজে।
দীপুর দেয়া কাগজ- পেন্সিলে আমি মহিমের স্কেচ আঁকলাম। দীপু সেই ছবিতে স্পর্শ করে চোখ বন্ধ করে থাকলো কিছুক্ষণ। তারপর ধীরে ধীরে মাথা তুলে আরও ধীরে উচ্চারণ করলো,
-মহিম বেঁচে নেই!
চলবে….

Advertisement
উৎসShapla Zakia
পূর্ববর্তী নিবন্ধবিষণ্ন পাখি -কবি নাসিমা হক মুক্তা‘এর কবিতা
পরবর্তী নিবন্ধবিভ্রান্ত -কবি শাহিনা খাতুন‘এর কবিতা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে